বেইজিং সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ১৭টি চুক্তি-সমঝোতা
প্রকাশিত: জুন ২০, ২০২৬, ০২:৩৬ দুপুর
সংগৃহীত ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২২ থেকে ২৬ জুন পাঁচ দিনের সফরে চীন যাচ্ছেন। এ সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি অ্যাকশন প্ল্যান এবং একটি প্রটোকল-সংক্রান্ত নোটসহ মোট ১৫ থেকে ১৭টি নথি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা হবে।
শনিবার (২০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।
তিনি বলেন, ১৫ থেকে ১৭টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি সই হওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে ১৩টি এমওইউ, দুটি চুক্তি, একটি অ্যাকশন প্ল্যান এবং একটি প্রটোকল-সংক্রান্ত নোট রয়েছে।
পররাষ্ট্রসচিব জানান, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঘোষিত চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগে যোগদানের বিষয়টি বাংলাদেশ বিবেচনা করছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সফরের পর জানা যাবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এসব উদ্যোগকে স্বাগত জানায় এবং প্রেসিডেন্ট শির নতুন বৈশ্বিক চিন্তাভাবনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে আসাদ আলম সিয়াম বলেন, সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হবে। তিস্তা ইস্যুও আলোচনায় থাকবে। তবে এ সফরে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে কোনো সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
তিনি আরও বলেন, চীনের সঙ্গে সামরিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিদ্যমান সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে। তবে সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়-বিক্রয়ের বিষয়টি শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনার বিষয় নয়।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী চীনের বিভিন্ন বেসরকারি খাতের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ আনতে একটি বিনিয়োগ ফোরামে অংশ নেবেন বলেও জানান পররাষ্ট্রসচিব।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২২ জুন রাতে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে চীনে পৌঁছাবেন। ২৩ ও ২৪ জুন দালিয়ানে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভা বা ‘সামার ডাভোস’-এ অংশ নেবেন। পরে বেইজিংয়ে গিয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ সম্পন্ন হবে। সফর শেষে সেদিনই তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।
