এশিয়া কাপের জন্য দল ঘোষণা, বাদ পড়লেন সাব্বির

আগের সংবাদ

উত্তরায় শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

পরের সংবাদ

মিতু হত্যায় আসামি ভোলা আরেক মামলায় গ্রেপ্তার

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ৩০, ২০১৮ , ১:২৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০১৮, ১:২৭ অপরাহ্ণ

সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার এহতেশামুল হক ভোলাকে আরেকটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত। নগরের ডবলমুরিং থানার একটি মামলায় পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আবু সালেম মোহাম্মদ নোমান শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

ভোলার জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তা নাকচ করে দেন। তাঁর বিরুদ্ধে নগরের চান্দগাঁও, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ থানায় হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজির ১৮টি মামলা রয়েছে। ভোলা এখন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ ডবলমুরিং থানার দেওয়ানহাট ব্রিজের নিচে ট্রাকচালক আবদুল গফুরকে (৪৫) পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। বর্তমানে মামলাটি নগর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মাহবুবুল আলম এই মামলায় ভোলাকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য গত মঙ্গলবার আবেদন করেন। আজ বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদালত শ্যোন অ্যারেস্ট (গ্রেপ্তার) দেখান।

ভোলার আইনজীবী কে এম সাইফুল ইসলাম বলেন, সব মামলায় জামিন পেলেও ভোলাকে মুক্তির আগে আরেকটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তা নাকচ করেন।

২০১৬ সালের ২৭ জুন নগরের বাকলিয়া এলাকা থেকে মাহমুদা হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলিসহ ভোলা ও তাঁর সহযোগী মো. মনিরকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ওই বছরের ২৮ জুলাই বাকলিয়া থানার পুলিশ দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

২০১৬ সালের ৫ জুন নগরের জিইসির মোড় এলাকায় ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন মাহমুদা। এ ঘটনার পর তাঁর স্বামী বাবুল আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। অস্ত্র আইনের মামলাটি বিচারাধীন থাকলেও মাহমুদা হত্যা মামলায় এখনো অভিযোগপত্র জমা দেয়নি গোয়েন্দা পুলিশ। এই মামলায় ভোলা গত ১৩ মে হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। পরে তাঁকে চট্টগ্রাম নার্সিং কলেজের জে৵ষ্ঠ শিক্ষক অঞ্জলী রানী দেবী খুনের মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। ২০১৫ সালের ১০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশের তেলিপট্টি এলাকার নিজ বাসার গলির মুখে অঞ্জলী রানী দেবীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নার্সিং কলেজে যাওয়ার জন্য তিনি সেদিন সকালে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় যুবকদের আসামি করে পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করা হয়। ঘটনার দুই দিন পর মামলাটি পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে ডিবি তদন্ত শুরু করে। ভোলা ছাড়া এই মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।